রমজান মাসের শুরুর ১০ দিন রহমতের ভাগে কি করণীয়

 

রমজান মাসে মুসলমানদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস। প্রত্যেক মুসলমান এই মাসের জন্য সারা বছর অপেক্ষা থাকে অপেক্ষায় থাকে। এই মাস পুরোটাই রহমত, বরকত ও ক্ষমা দিয়ে পরিপূর্ণ। 
রমজান-মাসের-শুরুর-১০-দিন-রহমতের-ভাগে-কি-করণীয়
এই মাস ১০ দিন করে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে ৩০ দিনে অর্থাৎ ৩০ দিনে ১০ দিন করে তিন ভাগ করা হয়েছে। এই আর্টিকেলে আমরা প্রথম ভাগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো প্রথমবারের দশ দিন সম্পর্কে জানা আমাদের প্রত্যেক মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পেজ সূচিপত্রঃ রমজান মাসের শুরুর ১০ দিন রহমতের ভাগে কি করণীয় 

রমজান মাস ৩০ দিন কে ১০ দিন করে তিন ভাগ করা হয়েছে এর মধ্যে প্রথম ভাগ হচ্ছে রহমতের ভাগ। এই সময় আল্লাহ বান্দাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেনঃ "যখন রমজান মাস আসে তখন রহমতের দরজা গুল খুলে দেওয়া হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবং শয়তানগুলোকে শিকলাবদ্ধ করা হয়"।

কেন রমজানের প্রথম ১০ দিন এত গুরুত্বপূর্ণ

রমাজনের সমই মানুষ তাদের সব কিছু ফেলে আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পরে। তাদের গুনাহ মাফের জন্য চেষ্টা করে। এই মাসটিতে সকলের মন নরম হয়ে যাই এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি বা চেষ্টা চালায়। যারা এই মাসে মনযোগী হয়ে ইবাদাত করে তাদের জন্য বাকি রমজান ও আমল আর সহজ হয়ে যাই। এই প্রথম ১০ দিনে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত বর্ষণ হয়ে থাকে। গুনাহ মাফের সুবর্ণ সুযোগ।

এই সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সুযোগ

রমজানের রহমতের দর্শক দশক এমন এক রহমত বরকতময় সময় যখন আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের দোয়া বিশেষভাবে কবুল করেন এই সবাই বান্দা যখন আন্তরিক হৃদয়ে আল্লাহর কাছে হাত তুলে তখন তার রহমতে দরজা খুলে যায় হাদিসে এসেছে রোজাদার রোজাদার রোজাদারের দোয়া ইফতারের মুহূর্তে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না তাই এই সবে নিজের গুনাহ মাফ চাওয়া জীবনের সমস্যার সমাধান প্রার্থনা করা এবং কল্যাণ কামনা করার সুবর্ণ সুযোগ করেন না। যে ব্যক্তি এই সুযোগকে কাজে লাগাই, সে অবশ্যই আল্লাহর রহমতের ছায়ায় আশ্রয় পাবে। 

রহমতের দশকের তওবা ও ইস্তেগফারের গুরুত্ব 

রমজানের রহমতের দশক হল পুরা থেকে ফিরে আসো সবচেয়ে উপযুক্ত সবাই একবার করলে আল্লাহ তা'আলা তার বান্দার পাপ ক্ষমা করে দেয় আল্লাহতালা পবিত্র করে দেয় তার হৃদয়কে। মানুষ যত বড়ই গুনাহ করুক না কেন তা ক্ষমা করে দেই তিনি। আমাদের সবার উচিত এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আল্লাহর রহমত গ্রহণ করা এবং তা গ্রহণ করার জন্য বেশি বেশি ইবাদত করা এবং নিজেদের গুনাহ মাফ করা। 

ফরজ নামাজ ও নফল ইবাদাতে যত্নবান হওয়া

রমজানের রহমতের দশকে ফরজ নামাজ সময় মত আদায় করা একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। এই সময় নফল নামাজ তাহাজ্জুদ ও কোরআন তেলাওয়াত মনোযোগ দিলে আল্লাহর রহমত আরো বেশি লাভ করা যায়। ইবাদত আমাদের ঈমানকে মজবুত করে। নিয়মিত ইবাদত করলে অন্তর প্রশান্ত হয় এবং গুনাহ থেকে দূরে থাকা যায়। তার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে যায়। এই দশকেগ এই দশক নিজেকে আল্লাহর পথে গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সুযোগ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Fahmida Rahman
Fahmida Rahman
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও ইউকি ভিটার এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।